সাধারণ ডট নেটে আপনাকে স্বাগতম! রেজিষ্ট্রেশন করে আজই আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে যান...
0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
আমরা কিভাবে মানুষের সেবা করব?

ইসলাম শুধুমাত্র একটি ধর্ম নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। এই জীবন ব্যবস্থায় মানব সেবাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোরআন ও হাদিসে মানব সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে মানব সেবার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করব এবং বাস্তব জীবনে তা কীভাবে প্রয়োগ করা যায় সে সম্পর্কে আলোকপাত করব।

ইসলামে মানব সেবার গুরুত্ব: ইসলামে মানব সেবাকে আল্লাহর ইবাদতের একটি অংশ হিসেবে দেখা হয়। কোরআন ও হাদিসে মানব সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। যেমন:

  • এতিম প্রতিপালন: ইসলামে এতিম প্রতিপালনকে একটি মহান কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়।
  • বিধবা সহায়তা: বিধবা নারীদের সাহায্য করাকে ইসলামে উৎসাহিত করা হয়েছে।
  • নিঃস্ব ও ক্ষুধার্তকে খাবার দান: ইসলামে নিঃস্ব ও ক্ষুধার্তদের খাবার দানকে একটি উত্তম আমল বলে মনে করা হয়।
  • রোগীর সেবা: রোগীর সেবা করাকে ইসলামে জান্নাতের ফল আহরণের সমান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
  • প্রতিবেশীর হক আদায়: ইসলামে প্রতিবেশীর হক আদায়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
  • কর্জে হাসান: ইসলামে কর্জে হাসানকে সদকার সমান সওয়াবের কাজ বলে মনে করা হয়।
  • ত্রাণ বিতরণ: ইসলামে দুর্যোগে আক্রান্তদের সাহায্য করাকে একটি উত্তম আমল বলে মনে করা হয়।
  • শরণার্থীদের আশ্রয় দান: ইসলামে শরণার্থীদের আশ্রয় দানকে একটি মহান কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়।

বাস্তব জীবনে মানব সেবার প্রয়োগ: ইসলামিক শিক্ষা অনুযায়ী মানব সেবা করার জন্য আমরা নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে পারি:

  • স্বেচ্ছাসেবায় অংশগ্রহণ: বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে যোগ দিয়ে আমরা অসহায় মানুষের সেবা করতে পারি।
  • দান-খয়রাত: আমাদের আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী দান-খয়রাত করে আমরা অভাবগ্রস্তদের সাহায্য করতে পারি।
  • রক্তদান: রক্তদান করে আমরা অনেকের জীবন রক্ষা করতে পারি।
  • শিক্ষা প্রসার: অশিক্ষিতদের শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে আমরা সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি।
  • পরিবেশ রক্ষা: পরিবেশ রক্ষা করে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলতে পারি।
  • শান্তি প্রতিষ্ঠা: সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আমরা মানবতার সেবা করতে পারি।
1 পছন্দ 0 টি অপছন্দ
মহাকাশ স্টেশনে বাচার জন্য অক্সিজেন কোথা থেকে পায় বিজ্ঞানীরা?

মহাকাশ স্টেশনে বেঁচে থাকার জন্য বিজ্ঞানীরা অক্সিজেন বেশ কয়েকটি উপায়ে উৎপন্ন করে থাকেন:


  • ইলেক্ট্রোলাইসিস প্রক্রিয়া: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) অক্সিজেন সাধারণত পানির ইলেক্ট্রোলাইসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায়, বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পানিকে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনে বিভক্ত করা হয়। এরপর, অক্সিজেন মহাকাশচারীদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ব্যবহার করা হয়।
  • স্টোর করা অক্সিজেন ট্যাঙ্ক: স্টেশনে তরল আকারে অক্সিজেন সংরক্ষণ করা হয়, যা প্রয়োজনে শ্বাস নেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।

  • কেমিক্যাল অক্সিজেন জেনারেটর: এগুলো একটি বিশেষ ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া ব্যবহার করে অক্সিজেন তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত পটাসিয়াম পারক্লোরেটের মতো রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়, যা উত্তপ্ত হয়ে অক্সিজেন উৎপন্ন করে।


এছাড়া, বর্জ্য পণ্যগুলির ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ব্যবহৃত হাওয়া এবং শ্বাসপ্রশ্বাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের প্রয়োজন হয়, যা সাধারণত বিশেষ ফিল্টার সিস্টেমের মাধ্যমে করা হয়।

0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
২৬ তারিখ কি হবে?

যেখানে তাকাচ্ছি সেখানেই শুধু বলছে ২৬ তারিখ। বিশেষ করে ফেসবুকে তো ঢুকাই যাচ্ছে না এই ২৬ তারিখ নিয়ে। নানান ভাবে এই ২৬ তারিখকে ট্রল করা হচ্ছে। সবার নিউজ ফিডেই শুধু এই ২৬ তারিখ। চলুন জেনে নিই ২৬ তারিখে আসলে কি হতে চলেছে? 


আমরা কমবেশি সবাই টেলিগ্রাম নামক অ্যাপের সাথে পরিচিত। এই টেলিগ্রাম অ্যাপে বিভিন্ন সময় ক্রিপ্টোকারেন্সি টাইপ (যদিও বা এটাকে ক্রিপ্টো বলে না) বিভিন্ন প্রজেক্ট লঞ্চ হয়। এসব প্রজেক্টে মানুষ ইনভেস্ট করে বিভিন্ন লাভের আশায়। প্রজেক্ট সাকসেসফুল করার জন্য ইউজার গ্যাদার করতে হয় অনেক ভাবে। মার্কেটিং হিসেবে অনেক প্রজেক্ট বিভিন্ন প্রলোভন দেয় ইউজারদের যাতে তারা সেটা ইউজ করে। এটা মূলত এয়ারড্রপ (Air Drop) নামে পরিচিত।


২৬ তারিখে কি হবে?


এরকমই একটা প্রজেক্ট হলো Hamster Kombat. এটি মূলত একটি বট। এখানে ইউজারদের বিভিন্ন টাস্ক বা মিশন দেওয়া হয় যেগুলো কমপ্লিট করলে ইউজারকে টোকেন বা কয়েন দেওয়া। এভাবে যে যত টাস্ক কমপ্লিট করবে তাকে তত বেশি টোকেন বা কয়েন দেওয়া হয়। এই টোকেন গুলো যখন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট প্লেসে লিস্টিং বা জায়গা করে নিতে পারবে, তখন এই প্রজেক্টের টোটাল ইনভেস্টমেন্ট অ্যামাউন্টের উপর টোকেন গুলোর প্রাইজ সেট করে দেওয়া হয়। তখন এই টোকেন গুলো সেল বা বিক্রি করে টাকা পাওয়া যায়। 


২৬ তারিখ কি?


টেলিগ্রামে এরকম হাজার হাজার বট আছে কিন্তু সবাই পেমেন্ট করে না। ৯০-৯৫% বট ইউজারদের পেমেন্ট না করে স্ক্যাম করে হারিয়ে যায়। কিন্তু রিসেন্টলি কয়েকটা বট উপর উপর পেমেন্ট করায় হঠাৎ করেই Hamster Kombat এর উপর মানুষ ঝুকতে থাকে। আবার এর মধ্যেই এই বট ঘোষণা করে দেয় যে, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ Airdrop  লঞ্চ করা হব্র মানে সবাইকে পেমেন্ট দেওয়া হবে। 


এযাবৎ কালে যত বট ছিলো তার মধ্যে সব থেকে বেশি ভাইরাল হয়েছে এই Hamster Kombat. প্রায় সবাই জেনে না জেনে এই বটে কাজ করতে থাকে। ১০০ মিলিয়নেরও উপরে ইউজারস হয়ে গেছে এই বটের। 


২৬ তারিখের কন্টেক্সট কি?


এই জন্যই মূলত ট্রলটা করা হচ্ছে। ২৬ তারিখ নাকি সবাই বড় লোক হয়ে যাবে হ্যামস্টার কম্বব্যাটের টাকা দিয়ে। আবার অনেক ট্রল করছে যে অন্য সব বটের মতো এইটাও স্ক্যাম করে চলে যাবে। পেমেন্ট করলেও নাকি খুব সামান্য পরিমানে করবে যা দিয়ে নাকি খরচও উঠবে না। কিন্তু আসলেই কি তাই হবে? দেখাই যাক কি হয়। 


অলরেডি এই ব্যাট নামীদামী ও ট্রাস্টেড মার্কেটপ্লেস যেমন OKX, Binance, Bybit এ লিস্টেড হয়ে গেছে। তাই প্রাথমিক ভাবে শিওর হওয়া যাচ্ছে যে এটা পেমেন্ট দিবে। কারণ লিস্টেড হওয়ার পর কোনো স্ক্যাম করার সুযোগ নেই। কিছু পরিমাণ সদস্যকে হলেও পেমেন্ট করতে হবে। এখন দেখা যাক কিভাবে কি হয় কত পেমেন্ট করে।


২৬ তারিখের কাহিনি কি?


0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
দশমিক কে আবিষ্কার করেন?

দশমিক সংখ্যাপদ্ধতির (Decimal System) উদ্ভাবন এবং এর ব্যবহার প্রাচীন ভারতের গণিতবিদদের কৃতিত্ব হিসেবে স্বীকার করা হয়। বিশেষত, দশমিক স্থানমূল পদ্ধতি (Decimal Place-Value System), যা আজকে আমরা ব্যবহার করি, প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদরা আবিষ্কার করে ছিলো।

খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতক থেকে পঞ্চম শতকের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে ভারতীয় গণিতবিদরা দশমিক স্থানমূল পদ্ধতির আবিষ্কার করেন, যেখানে প্রতিটি সংখ্যার মান তার স্থানের উপর নির্ভর করে। এই পদ্ধতিটি ৯টি অঙ্ক (১ থেকে ৯) এবং পরে শূন্যের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়।


আর্যভট্ট (খ্রিস্টাব্দ ৪৭৬–৫৫০), একজন প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ, দশমিক স্থানমূল পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। তাঁর রচনায় গণিতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দশমিকের ব্যবহার দেখা যায়। এছাড়া ব্রহ্মগুপ্ত এবং অন্যান্য ভারতীয় গণিতবিদরাও এই পদ্ধতির প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা রেখেছেন।


0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
শূন্যের ব্যবহার কোথায় প্রথম শুরু হয়েছিল?

শূন্যের ব্যবহার প্রথম শুরু হয়েছিল প্রাচীন ভারত-এ। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদরা শূন্যের প্রতীক এবং এর গাণিতিক ব্যবহার বিকশিত করেন। শূন্য শব্দের জন্য সংস্কৃত শব্দ ছিল "শূন্য", যার অর্থ ফাঁকা বা কিছুই না


প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন শিলালিপি ও পাণ্ডুলিপিতে শূন্যের ব্যবহার পাওয়া যায়, বিশেষত খ্রিস্টপূর্ব ৩য় বা ৪র্থ শতক থেকে শূণ্যের ব্যবহার শুরু হয়। তবে, শূন্যকে গাণিতিকভাবে ব্যবহার এবং তার নিয়মাবলি প্রতিষ্ঠা করেন গণিতবিদ ব্রহ্মগুপ্ত (খ্রিস্টাব্দ ৫৯৮-৬৬৮)। তাঁর রচনায় শূন্যকে একটি সংখ্যারূপে গণ্য করা হয়, অন্যান্য সংখ্যার সাথে এর গাণিতিক অপারেশন কিভাবে করতে হবে তা বর্ণনা করা হয়। 

0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
শূন্য কে আবিষ্কার করেন?

শূন্যের ধারণা একাধিক সভ্যতার জ্ঞানচর্চার ফসল। তবে, বিশেষভাবে শূন্যের গাণিতিক প্রতীক এবং এর ব্যবহার ভারতীয় গণিতবিদদের অবদান হিসেবে স্বীকৃত।


প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ব্রহ্মগুপ্ত (খ্রিস্টাব্দ ৫৯৮–৬৬৮) প্রথম শূন্যকে একটি সংখ্যারূপে বিবেচনা করেন এবং এর ব্যবহারকে গণিতের নিয়মে অন্তর্ভুক্ত করেন। তাঁর রচনা "ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত"-এ শূন্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা পাওয়া যায়। ব্রহ্মগুপ্ত তার এই রচনায় শূন্যকে অন্য সংখ্যার সাথে যোগ, বিয়োগ এবং গুণ করার নিয়মও সংজ্ঞায়িত করেন। ভারত থেকে শূন্যের ধারণাটি আরব দুনিয়ায় পৌঁছায় এবং পরে ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ে।


তাই প্রাথমিক ভাবে ব্রহ্মগুপ্ত কে শূন্য এর জনক বলা যায়। 

0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
বই কে আবিষ্কার করেন?
বইয়ের আবিষ্কারকে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির হিসেবে চিন্তা করা কঠিন, কারণ এটি দীর্ঘ একটি প্রক্রিয়ার ফলাফল। কেউ একক ভাবে বই আবিষ্কার করেন নি। মানুষের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের হাতে বই চলে আসে। তবে, প্রাচীন সভ্যতাগুলোর মধ্যে মিসরীয়রা প্যাপিরাস উদ্ভাবন করেছিল, যা বইয়ের আদিরূপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তারা প্যাপিরাসে লিখে স্ক্রল আকারে সংরক্ষণ করতো।

আধুনিক অর্থে বইয়ের আবিষ্কারের ক্ষেত্রে চীনের হান রাজবংশের সময় (খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতক থেকে খ্রিস্টীয় ২য় শতক) কাগজের আবিষ্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিলো। কারণ যার উপর লিখবে সেটাই তো তখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয় নি। এর আগে মানুষ পাথর, পাতা, মাটি বিভিন্ন জায়গায় লিখতো যার কারণে সেগুলো স্থানান্তর করা খুব কঠিন ছিল। কাগজের আবিষ্কার এই সমস্যার সমাধান দেয়। পরবর্তীতে ১৫তম শতকে জার্মানির যোহানেস গুটেনবার্গ মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা উদ্ভাবন করেন, যা ব্যাপকভাবে বই ছাপানোর প্রক্রিয়াকে সহজ করে দেয়। এর ফলে বই উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

তাই বলা যায়, বই এর আবিষ্কারক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নয়। এটি অনেক দীর্ঘ একটা সভ্যতার ফসল।
0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
আপনার কাছে ভালোবাসা মানে কি?

ভালোবাসা, এই চার অক্ষরে কত রহস্য, কত আবেগ, কত স্বপ্ন জড়িয়ে আছে! প্রত্যেক মানুষের জীবনে ভালোবাসা আসে, যায়, আবারও আসে। কিন্তু ভালোবাসা কি? এর সংজ্ঞা কি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমরা সবাই কখনো না কখনো বিভ্রান্ত হই। একেক জনের কাছে এর অর্থ একেক রকমের হয়। 


ভালোবাসা কি?

ভালোবাসার সংজ্ঞা দেওয়া খুব কঠিন। এটা একটা অনুভূতি, একটা অভিজ্ঞতা, যা শুধু অনুভব করা যায়, বর্ণনা করা যায় না। তবুও, বিভিন্ন মানুষ ভালোবাসাকে নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করেছেন। কারো কাছে ভালোবাসা মানে নিঃস্বার্থ দান, কারো কাছে আবার ভালোবাসা মানে নিজেকে হারিয়ে অন্যকে খুঁজে পাওয়া।


আমার কাছে ভালোবাসা মানে কি?

যদি আমাকে কখনো কেউ জিজ্ঞাসা করে যে ভালোবাসা মানে কি তাহলে আমার উত্তরটা এরকম হবে, ভালোবাসা হলো সেই ফিলিংস যেটার কারণে তুমি একটা মানুষের কাছে বার বার যেতে চাইবে। খুব ইচ্ছা করবে তার কন্ঠ শুনার, তার সাথে পাশাপাশি বসে তার দিকে তাকিয়ে কিছু সময় কাটানো, হাতে হাত রেখে বলবে আমাকে এভাবেই ধরে রেখো। মন খারাপের সময় তুমি আমার পাশে থেকো, আমাকে সাহস দিও। আমি পুরুষ মানুষ হিসেবে আমার ভালোবাসার মানুষের থেকে শুধু সাপোর্টটাই চাইবো যাতে সে আমার সাথে সব সময় থাকে। কিন্তু সবাই কি তা পায়? 


বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভালোবাসার ধরণ

রোমান্টিক ভালোবাসা, প্লাটোনিক ভালোবাসা, পরিবারের ভালোবাসা, আধ্যাত্মিক ভালোবাসা, নিজেকে ভালোবাসা – এই সবই ভালোবাসার বিভিন্ন রূপ। রোমান্টিক ভালোবাসায় আকর্ষণ, শারীরিক ঘনিষ্ঠতা এবং আবেগের মিশ্রণ থাকে। প্লাটোনিক ভালোবাসায় শারীরিক আকর্ষণের চেয়ে মানসিক মিল থাকে। পরিবারের ভালোবাসা নিঃস্বার্থ এবং আধ্যাত্মিক ভালোবাসা ঈশ্বর বা সৃষ্টির প্রতি অনুভূত ভালোবাসা। আর নিজেকে ভালোবাসা মানে নিজের প্রতি স্বীকৃতি এবং আস্থা।


ভালোবাসার গুণাবলী যা যা হওয়া দরকার

ভালোবাসার অনেক গুণাবলী রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নিঃস্বার্থতা, ক্ষমা, সহানুভূতি এবং আস্থা। ভালোবাসা চাওয়া-পাওয়ার বাইরে। এতে নিজের স্বার্থের চেয়ে অন্যের ভালোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। ভালোবাসা হলো নিজের সময়, মন, ভালোবাসা অন্যকে দেওয়া। ভালোবাসা ভুলত্রুটি ক্ষমা করতে শেখায়। ভালোবাসা অন্যের দুঃখ বুঝতে শেখায়।


আপনার কাছে ভালোবাসার মানে কি এই উত্তর কিভাবে পাবেন?

ভালোবাসার সংজ্ঞা ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে। আপনার কাছে ভালোবাসা কি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নিজের মনের কণ্ঠ শুনুন। আপনি কাকে ভালোবাসেন, কেন ভালোবাসেন, ভালোবাসার মাধ্যমে আপনি কী পেতে চান – এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আপনি নিজের ভালোবাসার সংজ্ঞা পাবেন।



0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা কোনটি?
আপনি যেমন কোনো বাড়ির ঠিকানা দিয়ে সেখানে যান, ঠিক তেমনি ইন্টারনেটের বিশাল জগতে কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে যাওয়ার জন্য একটি ইউনিক অ্যাড্রেস বা একক ঠিকানা থাকে। এই ঠিকানাকেই আমরা ওয়েবসাইটের ঠিকানা বলে থাকি।

ওয়েবসাইটের ঠিকানাকে আর কী বলা হয়?
  1. ওয়েবসাইটের ঠিকানাকে আমরা সাধারণত ডোমেইন নেম হিসেবে চিনে থাকি। এটিই ওয়েবসাইটের ঠিকানার সবচেয়ে পরিচিত নাম।
  2. URL (Uniform Resource Locator): এটি ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ঠিকানা, যার মধ্যে ডোমেইন নামের পাশাপাশি অন্যান্য তথ্যও থাকে। এর সাথে আরও কি কি থাকে তা আমরা নিচে জানতে পারবো।

একটি ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা কী?
একটি ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা হলো ডোমেইন নাম বা URL। এটি সাধারণত একটি সহজে মনে রাখার মতো নাম, যেমন:
  1. shadharon.net
  2. facebook.com
  3. wikipedia.org

একটি URL কেমন দেখতে হয়?
একটি URL-এ সাধারণত নিচের অংশগুলো লক্ষ্য করা যায়:
  • প্রোটোকল: প্রোটোকল সাধারণত http:// বা https:// হয়ে থাকে। এটি ওয়েব ব্রাউজারকে জানায় কীভাবে ওয়েব পেজটি লোড করতে হবে। ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট গুলো সিকিউর কিনা সেটাও জানা যায় প্রোটোকল থেকে।
  • ডোমেইন নাম: ওয়েবসাইটের ঠিকানা। এটিই URL এর মেইন অংশ।
  • পাথ: ওয়েবসাইটের কোন নির্দিষ্ট পেজে পৌঁছানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটিকে অনেক সময় সাব ডিরেক্টরিও বলা হয়ে থাকে।

উদাহরণ: https://www.shadharon.net/ask
https:// - প্রোটোকল
www.shadharon.net - ডোমেইন নাম
/ask - পাথ বা সাব-ডিরেক্টরি

0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
সাধারণ ডট নেট কেন তৈরি করা হয়েছে?

সাধারণ ডট নেট প্রাথমিক ভাবে একটি প্রশ্ন-উত্তর ওয়েবসাইট হিসেবে লঞ্চ করা হয়েছে যার নাম হলো সাধারণ প্রশ্ন উত্তর। সাধারণ প্রশ্ন-উত্তর ওয়েবসাইটে আপনি বিভিন্ন প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন। 

বর্তমানে বাংলা ভাষায় অনেক প্রশ্ন উত্তর ওয়েবসাইট আছে কিন্তু সবগুলোই প্রায় কমার্শিয়াল। অর্থাৎ ঐ ওয়েবসাইট গুলোর প্রধান উদ্দেশ্যই হলো ইউজারদের টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন উত্তর করানো। তাই এই সিস্টেমটিকে পরিত্যাগ করে মানুষ যাতে নিস্বার্থ ভাবে একে অপরের সমস্যার সমাধান দিতে পারে এই জন্যই আমাদের এই সাধারণ প্রশ্ন-উত্তর ওয়েবসাইট। 

সাধারণ প্রশ্ন-উত্তর ওয়েবসাইট সাধারণ ডট নেটের একটি সার্ভিস বা প্রোডাক্ট। ভবিষ্যতে আমাদের আরও বিভিন্ন প্রোডাক্ট লঞ্চ করানো হবে ইনশাআল্লাহ যার প্রধান উদ্দেশ্যই হবে ইন্টারনেট সবার কাছে আরও সহজ ভাবে তুলে ধরা। সবাই যাতে ইন্টারনেট খুব সাধারণ ভাবে ইউজ করতে পারে, যেকোনো প্রয়োজনে ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল হতে পারে এই জন্যই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। 

সবার একটা ভরসার জায়গা হতে চাই আমরা। সাধারণ থেকেই যাতে আমরা অসাধারণ কিছু করার এই পথযাত্রায় আপনাদের দোয়া আর সহযোগিতা প্রার্থী।

1 পছন্দ 0 টি অপছন্দ
সেভেন সিস্টার্স কি? সেভেন সিস্টার্স বলতে কি বুঝায়?

আমরা প্রায়ই একটা নাম শুনে থাকি সেটা হলো সেভেন সিস্টার্স। বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লিগ সরকার পতনের পর যখন উপদষ্টা সরকার দ্বারা বেশ পরিচালিত হওয়া শুরু করে তখন এই নামটি বেশ জনপ্রিয়তা পায় মুখে মুখে। কেউ হয়তো এটার মিনিং জানি আবার অনেকেই জানিনা। যারা জেনেন না তাদের জন্য আজকের এই লেখা।

সেভেন সিস্টার্স শব্দটি দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যকে বোঝানো হয়। এটি মূলত আমাদের বাংলাদেশের বর্ডার ঘেষেই।


সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত ৭টি রাজ্যঃ

  1. আসাম
  2. অরুণাচল প্রদেশ
  3. মণিপুর
  4. মেঘালয়
  5. মিজোরাম
  6. নাগাল্যান্ড
  7. ত্রিপুরা


এই রাজ্যগুলোকে 'সেভেন সিস্টার্স' বা 'সাত বোন' বলা হয় কারণ:


ভৌগোলিক অবস্থান: এই সাতটি রাজ্যই ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত এবং হিমালয় পর্বতমালা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর উপত্যকা দিয়ে ঘিরে।

সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য: এই রাজ্যগুলোতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর লোক বাস করে এবং তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য রয়েছে।

ইতিহাস: এই রাজ্যগুলোর ইতিহাসে অনেক মিল রয়েছে। ব্রিটিশ শাসনের আগে এবং পরে এই রাজ্যগুলোতে অনেক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আদান-প্রদান হয়েছে।

ভ্রাত্বিত্বঃ বলা হয়ে থাকে এই সাত রাজ্য যেহেতু ভারতের মুল ভূ-খন্ড থেকে অনেক দূরে তাই এই সাত রাজ্যের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক অনেক মিলেমিশে থাকে। বিশেষ করে এই জন্যই তাদের সেভেন সিস্টার্স বলা হয়। সাত বোনের মধ্যে যেরকম ভ্রাত্বীত্ব থাকে তেমন এই ৭ রাজ্যের মানুষের মাঝেও লক্ষ্য করা যায়।

0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
HTML কে কেন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলা হয় না?

আমরা সবাই জানি HTML একটি মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ। কিন্তু মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজটা আসলে কি? মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ ও প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? চলুন তাহলে শুরু করা যাক। আমি চেষ্টা করবো যত সিম্পল ভাবে বুঝানো যায়।


মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজঃ যে ল্যাংগুয়েজ দ্বারা কোনো ওয়েব বা অ্যাপ্লিকেশনের স্ট্রাকচার বা মার্ক আপ তৈরি করা হয় সেটাকেই বলে মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ। তাহলে আমরা তো এইচটিএমএল দিয়ে কোনো ওয়েবসাইটের স্ট্রাকচারই তৈরি করে থাকি। এই জন্যই এটাকে মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজঃ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হওয়ার জন্য প্রতিটা ল্যাংগুয়েজকে বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়া ফলো করতে হয়। অর্থাৎ কোনো ল্যাঙ্গুয়েজকে তখনই প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলা যাবে যখন নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পুরণ করবে। 


প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হওয়ার ক্রাইটেরিয়া সমূহঃ

  • এটি কম্পিউটার বা অপারেটিং সিস্টেমকে নির্দিষ্ট একটি কাজ করার নির্দেশ দিবে।
  • বিভিন্ন ধরণের রিয়েলটাইম ডেটা কালেক্ট করতে পারার সক্ষমতা থাকতে হবে।
  • ডেটা নিয়ে কাজ করে সেগুলো ম্যানিপুলেট করার মতো সক্ষমতা থাকতে হবে।
  • বিভিন্ন ধরণের ডেটা নিয়ে অ্যানালাইসিস করার পর একটি সিদ্ধান্ত (True Or False) নেওয়ার সক্ষমতা থাকতে হবে। অর্থাৎ যেকোনো লজিক্যাল অপারেশন চালাতে হবে।
এগুলোই মূলত বেসিক শর্ত। এগুলো যদি কোনো ল্যাঙ্গুয়েজ ফুলফিল করতে পারে তবে তাকে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। তাহলে এখন এইচটিএমএল এর সাথে চিন্তা করে দেখুন তো উপরের শর্ত গুলো পুরণ করতে পারে কিনা। 

এইচটিএমএল যে কারণে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়ঃ 
  • এটি কম্পিটার বা সার্ভারকে কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দেশ দিতে পারে না। এটি শুধু ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের স্ট্রাকচার প্রদান করে।
  • রিয়েল টাইম কোনো ডাটা সে কালেক্ট করতে পারে না। আমরা যে এইচটিএমএল ফর্ম গুলো দেখি সেখান থেকে ডাটা কালেক্ট করতে জাভাস্ক্রিপ্টের সাহায্য নিতে হয়। শুধু এইচটিএমএল দিয়ে কখনোই কোনো রিয়েলটাইম ডাটা কালেক্ট করতে পারবেন না।
  • এটি যেহেতু কোনো ডাটা কালেক্ট করতে পারে না তাই ডাটা ম্যানিপুলেশনও করতে পারে না।
  • এইচটিএমএল দিয়ে কখনো লজিক্যাল অপারেশন চালানো সম্ভব নয়। 

আশা করি বুঝতে পেরেছেন কেন এইচটিএমএল কে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয় না।

0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
Mlsbd থেকে মুভি ডাউনলোড করব কিভাবে?

MLSBD থেকে মুভি ডাউনলোড করতে নিচের ধাপগুলো Follow করতে পারেন:


ধাপ ১: MLSBD ওয়েবসাইটে যান

আপনার ব্রাউজারে MLSBD (এমএলএসবিডি) সাইটটি খুলুন। URL হতে পারে mlsbd.one বা mlsbd.store (কপিরাটের কারণে সাইটের লিংক সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হয়)।


ধাপ ২: সার্চ করে মুভি খুঁজে নিন

  • সার্চ বার ব্যবহার করে আপনি যেকোনো মুভি বা টিভি শো খুঁজে নিতে পারেন।
  • সাইটে বিভিন্ন ক্যাটেগরি বা জেনার থেকেও ব্রাউজ করতে পারেন যেমন: বাংলা, হলিউড, বলিউড, সাউথ ইন্ডিয়ান ইত্যাদি।


ধাপ ৩: ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করুন

  • পছন্দের মুভি পেয়ে গেলে তার উপর ক্লিক করুন।
  • মুভির পেজে গিয়ে স্ক্রল করে ডাউনলোড লিংক খুঁজে নিন। এখানে বিভিন্ন কোয়ালিটির (যেমন 480p, 720p, 1080p) ভিডিও ফাইলের লিংক থাকবে।


ধাপ ৪: ডাউনলোডের জন্য লিংক সিলেক্ট করুন

  • আপনার ইন্টারনেট স্পিড এবং ডিভাইসের স্টোরেজ অনুযায়ী কোয়ালিটি সিলেক্ট করুন।
  • লিংকে ক্লিক করলে সাধারণত অন্যান্য সার্ভার বা শর্ট লিংক পেজে নিয়ে যাবে।


ধাপ ৫: ক্যাপচা এবং বিজ্ঞাপন শেষে ডাউনলোড শুরু করুন

  • কিছু ডাউনলোড লিংক শর্ট লিংক পেজের মাধ্যমে হয়, যেখানে আপনাকে ক্যাপচা পূরণ করতে হতে পারে।
  • একাধিক বিজ্ঞাপন পপ আপ হতে পারে, সেগুলো এড়িয়ে সঠিক ডাউনলোড লিংকে যেতে হবে।
  • নির্দিষ্ট সময় পর বা ক্যাপচা পূরণ করার পর ডাউনলোড লিংকটি একটিভ হবে।


ধাপ ৬: ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড লিংক থেকে মুভি ডাউনলোড শুরু হবে। আপনি চাইলে বিভিন্ন ডাউনলোড ম্যানেজার (যেমন IDM বা ADM) ব্যবহার করতে পারেন দ্রুত ডাউনলোডের জন্য।


নোটঃ এটি করার সময় বিজ্ঞাপনের জন্য সাবধান থাকতে হবে এবং সঠিক লিংক সিলেক্ট করতে হবে যাতে ভুলবশত হার্মফুল ও ভাইরাস ফাইল ডাউনলোড না হয়।

0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
CrazyHD ওয়েবসাইট কি সত্যিই বন্ধ হয়ে গেছে?
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ভিডিও ডাউনলোড সাইট CrazyHD ২০২৩ সালের ১৫ অক্টোবর তাদের ওয়েবসাইটে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেয়। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে পরিচালিত এই সাইটটি, যেখানে ইউজাররা বাংলা সিনেমা, টিভি শো, ওয়েব সিরিজসহ বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারত, এখন আর সম্ভব হচ্ছে না।

বিজ্ঞপ্তিতে CrazyHD কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা তাদের ব্যবহারকারীদের সাপোর্টের জন্য কৃতজ্ঞ এবং আশা করছে যে তাদের এই সিদ্ধান্তকে সবাই বুঝবে। তবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনের আসল কারণটি এখনো নিশ্চিত নয়। কিছু মানুষ মনে করছেন, এটি সরকারের চাপের কারণে বন্ধ হয়েছে, আবার অন্যরা অর্থনৈতিক সমস্যাকে এর মূল কারণ বলে ধরে নিচ্ছে।

CrazyHD-এর কার্যক্রম যেরকম ছিলোঃ
CrazyHD ছিল একটি টরেন্ট ভিত্তিক সাইট যেখানে ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র ফাইল ডাউনলোড করতে পারত না, বরং ফাইল আপলোড করারও সুযোগ ছিল। এতে আপলোড এবং ডাউনলোড রেশিও বজায় রাখতে হত, নইলে ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট সাময়িক বা স্থায়ীভাবে ব্লক করা হতো। প্রাইভেট টরেন্ট ট্র্যাকার হিসেবে এটি বেশ কঠোর ভাবে পরিচালিত হতো, যেখানে নতুন ইউজার রেজিস্ট্রেশন করতে হলে কারো থেকে ইনভাইটেশন নিতে হত, যা CrazyHD-এর ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে নেওয়া যেত।

CrazyHD বন্ধ হওয়ার প্রভাবঃ 
CrazyHD বন্ধ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের ভিডিও ডাউনলোডিং ইন্ডাস্ট্রিতে একটি বড় শূন্যতা তৈরি করেছে। অনেক ব্যবহারকারী যারা নিয়মিত বাংলা সিনেমা এবং অন্যান্য ভিডিও সামগ্রী ডাউনলোড করতেন, তারা এখন বিকল্প প্ল্যাটফর্ম খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। এটি বাংলাদেশি বিনোদনপ্রেমীদের জন্য একটি বড় ধাক্কা।

নিচে কিছু জনপ্রিয় ভিডিও ডাউনলোড ও স্ট্রিমিং সাইটের নাম দেওয়া হলো, যা বাংলাদেশে CrazyHD এর বিকল্প বা অল্টারনেটিভ হিসেবে ব্যবহার করা যায়:

  1. BDMusic25 - বাংলা গান, সিনেমা এবং টিভি শো ডাউনলোডের জন্য একটি জনপ্রিয় সাইট।
  2. TorrentBD - বাংলাদেশের আরেকটি প্রাইভেট টরেন্ট সাইট, যেখানে রেশিও ভিত্তিক ডাউনলোড এবং আপলোড সিস্টেম রয়েছে।
  3. 1337x - একটি আন্তর্জাতিক টরেন্ট সাইট, যেখানে বিভিন্ন ধরনের সিনেমা, টিভি শো এবং সফটওয়্যার ডাউনলোড করা যায়।
  4. YTS - সিনেমা ডাউনলোড করার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে কম সাইজে ভালো মানের ভিডিও ফাইল পাওয়া যায়।
  5. The Pirate Bay - আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত টরেন্ট সাইট, যেখানে বিভিন্ন ভিডিও, গান, সফটওয়্যারসহ অনেক কিছু পাওয়া যায়।
  6. Zooqle - এটি বিভিন্ন টরেন্টের জন্য জনপ্রিয়, বিশেষ করে টিভি শো এবং সিনেমার জন্য।
0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
পৃথিবীতে কিভাবে দিন-রাত সৃষ্টি হয়?

আমরা পৃথিবীর প্রত্যেকেই দিনের আলো ও রাতের অন্ধকারের একটি সুন্দর চক্রের মধ্যে বাস করি। কিন্তু কেন এই দিন-রাতের পরিবর্তন কেন হয়? এর পেছনে বিজ্ঞানের একটি সহজ ও বেশ মজার ব্যাখ্যা আছে।

পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ঘুরে। অর্থাৎ পৃথিবী সুর্যের চারপাশে ঘুরার পাশাপাশি নিজের অক্ষের উপরেও পাক খায়। এটাই হচ্ছে দিন-রাত সংগঠিত হওয়ার প্রধান কারন।


বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে আমাদের নিচের টার্ম গুলো খুব ভালো ভাবে বুঝা জরুরী।

আহ্নিক গতি: পৃথিবী তার নিজস্ব অক্ষের উপর ঘোরে, যাকে আহ্নিক গতি বলে। এই ঘূর্ণন একবার সম্পূর্ণ করতে পৃথিবীর প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে।

সূর্যের আলো: পৃথিবীর নিজস্ব কোনো আলো নেই। আমরা সূর্যের আলোতেই দিনের আলো দেখতে পাই।

চাদের আলোঃ রাতে আমরা অন্ধকার দেখতে পাই কিন্তু আকাশে শুধু চাঁদ আর তারা দেখি। চাঁদ বা তারা কারোও নিজস্ব আলো নেই। সুর্য থেকে আলো চাদের পৃষ্ঠে পড়ে আর সেই আলো আবার পৃথিবীতে প্রতিফলন হয়ে আমাদের আলোকিত করে। যাকে আমরা বলে থাকি চাদের আলো।

পৃথিবীর অবস্থান: যখন পৃথিবীর একটি অংশ সূর্যের সামনে থাকে, তখন সেখানে দিন হয়। কারণ সূর্যের আলো সেখানে পৌঁছায়। অন্যদিকে, যখন পৃথিবীর কোনো অংশ সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে, তখন সেখানে রাত হয়।

পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে দিন ও রাত পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়। যেমন, যখন আমরা ঘুমিয়ে থাকি, তখন পৃথিবী ঘুরে আমাদের অবস্থানকে সূর্যের সামনে নিয়ে আসে এবং আমরা দিনের আলো দেখতে পাই।


কি হতো যদি পৃথিবী না ঘুরতো?

  • যদি পৃথিবী তার অক্ষের উপর ঘুরত না, তাহলে দিন ও রাতের কোনো পরিবর্তন হত না।
  • পৃথিবীর একদিক সবসময় সূর্যের দিকে মুখ করে থাকত, ফলে সেখানে চিরদিন দিন থাকত।
  • অন্যদিক সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে থাকত, ফলে সেখানে চিরকাল রাত থাকত।


দিন-রাতের দৈর্ঘ্য কেন সবসময় সমান হয় না?

পৃথিবীর অক্ষের হেলানোর কারণে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সবসময় সমান হয় না। অর্থাৎ পৃথিবী যখন আমাদের অক্ষের উপর আবর্তন করে তখন অক্ষের এক দিকে সামান্য একটু হেলে আবর্তন করে। যার কারণে পৃথিবীর সব জায়গায় সব সময় দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয় না। গ্রীষ্মকালে দিন দীর্ঘ এবং রাত ছোট হয়, আর শীতকালে দিন ছোট এবং রাত দীর্ঘ হয়।



সহজ ভাবে বলতে গেলেঃ পৃথিবীর আহ্নিক গতিই দিন-রাতের মূল কারণ। পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সূর্যের আলো পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে পর্যায়ক্রমে পৌঁছায় এবং এইভাবেই দিন ও রাতের চক্র চলতে থাকে।


দিন ও রাতের ছবিঃ

দিন ও রাতের ছবি। ছবিতে দেখানে হয়েছে কেন পৃথিবীতে দিন ও রাত হয়

1 পছন্দ 0 টি অপছন্দ
সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে তথ্য সংগ্রহ ও সংগঠিত করতে সাহায্য করে?
আমরা কোনো তথ্য বা ডেটা খুজার জন্য কোথাও সার্চ করি তখন যেখানে সার্চ করি সেটিই হলো সার্চ ইঞ্জিন। সার্চ ইঞ্জিন আমাদের তথ্য সংগ্রহ ও সংগঠিত করতে অনেক হেল্প করে।

আচ্ছা একটা সাধারণ কথাই চিন্তা করা যাক। আমরা কোনো তথ্য কেন সার্চ করি? এর উত্তর হলো আমরা যাতে কোনো তথ্য খুব সহজেই পাওয়া যায় তাই না? নাহলে তো আমাদের পুরো ডাটাবেজ এর তথ্য গুলো এক এক করে দেখে দেখে খুজে বের করতে হতো। এটা যাতে আমাদের না করতে হয় সেই কাজ টাই মূলত করে থাকে সার্চ ইঞ্জিন।

একটা ডেটাবেজে লাখ থেকে কোটি কোটি তথ্য থাকতে পারে। আর সেখান থেকে আমাদের কাঙ্খিত তথ্য খুজে পেতে সাহায্য করে সার্চ ইঞ্জিন। এভাবেই আমরা যেকোনো তথ্য সংগ্রহ করতে সার্চ ইঞ্জিন এর সহায়তা নিই। 

আমাদের যদি কখনো কোনো বিষয়ে গভীর রিসার্চ বা গবেষণা করার প্রয়োজন পড়ে তাহলে আমরা অনেক ধরণের তথ্য খুজি সার্চ ইঞ্জিনে। সার্চ ইঞ্জিন আমাদের হয়ে বিভিন্ন ডাটাবেজ ও সার্ভার খুজে খুজে আমাদের জন্য তথ্য এনে দেয়। আমরা সেগুলো সংগ্রহ করি এবং সংগঠিত করে থাকি। 

এভাবে নিত্যদিন সার্চ ইঞ্জিন আমাদের যেকোনো তথ্য সংগ্রহ ও সংগঠিত করে সাহায্য করে।
0 টি পছন্দ 0 টি অপছন্দ
বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি?

বর্তমানে কোনো শিক্ষামন্ত্রী নেই। গত ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখ আওয়ামী লিগ সরকারের বিলুপ্তির পর বৈষম্ম বিরোধী ছাত্র আন্দলনের বিজয়ের পর দেশের হাল ধরার জন্য যে অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠন করা হয় তার পর থেকে শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত আছে জনাব ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। বর্তমানে জনাব ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ স্যারই শিক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। 


বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা (শিক্ষামন্ত্রী দায়িত্বপালনরত) ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ (শিক্ষা উপদেষ্টা)

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এর কার্যক্রম

স্কোর:
462 পয়েন্ট (অবস্থান #1)
প্রশ্ন:
99
উত্তর দিয়েছেন:
97
মন্তব্য করেছেন:
0
ভোট দিয়েছেন:
0 টি প্রশ্ন, 1 টি উত্তর
দিয়েছেন:
1 টি আপ ভোট, 0 টি ডাউন ভোট
পেয়েছেন:
19 টি আপ ভোট, 0 টি ডাউন ভোট
...